Posts

মাহেন্দ্র সিং ধোনির ওয়েবসাইট হ্যাক করেন বাংলাদেশের তায়েফ।

Image
ক্রিকেট তারকা মাহেন্দ্র সিং ধোনিসহ ভারতীয় বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের পর এবার যুক্তরাজ্যের আড়াই শতাধিক ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে,  " বিডি [হেকার] তায়েফ কান। " জানা যায়, ধোনির সাথে ভীষণ ভালো সম্পর্ক ছিল,  "বিডি [হেকার] তায়েফ কানের! কিন্তু কোনো এক ইসুতে ধোনি 'তায়েফ'  কে বলেছিলেন যে, " ইয়ার ভিরাট কুলিকা আইডি হ্যাক করনা " কিন্তু তায়েফ হিন্দি ভাষা সঠিক না বুঝায় উল্টা মাহেন্দ্র সিং ধোনির ওয়েবসাইট হ্যাক করে ফেলেন। এতে সারা বিশ্বে আলোরণ সৃষ্টি হয়ে পরে। এছাড়া ইন্ডিয়ার মানুষ থাকে গালাগালি দেওয়ায় ইন্ডিয়ায় আরো বেশ কয়েক লাখ অয়েবসাইট হ্যাক করে বসেন "বিডি [হেকার] তায়েফ কান"  [হেকিন] এর শিকার ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি ওয়েবসাইট ছাড়াও অনলাইন ব্যাংক, পত্রিকা, ম্যাগাজিন, স্কুল-কলেজ, ব্যবসায়িক সেবাদানকারী কোম্পানি, চাকরি, রেন্ট-এ-কার, ফিটনেস সেন্টার, অলিম্পিক একোমোডেশন, আইফন কাভারেজ, দ্য ন্যাশনাল ওয়েবসাইট কোম্পানি, কোস্ট লিমিটেডমহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট। "বোমা হ্যাকিং"  গ্রুপের এডমিন "বিডি [হেকার] তায়েফ কান"  জানান " ...

[হেকার] তায়েফ কানের এবারের টার্গেট বড় বড় জাহাজ কোম্পানি।

Image
সাইবারকীল নামের একটি সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম একটি মাঝারি সাইজের শিপিং কোম্পানির ই মেল চালাচালি তদন্ত করে দেখছিল। তদন্তে তারা একটি বিরাট জালিয়াতি উদঘাটন করলো। "বিডি [হেকার] তায়েফ কান" নামের বিশ্বের বর একজন হ্যাকার এই কোম্পানির কম্পিউটার সিস্টেমে একটা ভাইরাস ঢুকিয়ে দিয়েছে। ফলে কোম্পানির ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের যে কোন ইমেল সে মনিটর করতে পারে। এই শিপিং কোম্পানি যাদের কাছ থেকে জ্বালানি কেনে, তারা যখন জ্বালানির বিল পরিশোধ করছে, সেই বিল যে একাউন্ট নাম্বারে যাওয়ার কথা, ভাইরাসটি সেটি পরিবর্তন করে অন্য একাউন্ট নম্বরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এভাবে কয়েক মিলিয়ন ডলার "[হেকার] তায়েফ" সরিয়ে নেয়ার পর বিষয়টি কোম্পানির নজরে আসে। কেবল মাঝারি সাইজের শিপিং কোম্পানি নয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিপিং কোম্পানিগুলোর একটি, মায়েস্কও  এরকম ভাবে হ্যাক করেন "বিডি [হেকার] তায়েফ কান" তারা বুঝতে পেরেছে, 'তায়েফ' চাইলে জাহাজ চলাচলের মতো ব্যাপারেও হ্যাকিং এর মাধ্যমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। একটা জাহাজ কোম্পানির কম্পিউটার সিস্টেমে হ্যাক করতে পারলে বিস্তর স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নেয়া সম্ভব। এ...

বিডি [হেকার] তায়েফ কান। (পর্ব-১)

Image
এই হ্যাকিং কতোটা সহজ, কেনো তিনি হ্যাক করেন, কিভাবে করেন - এসব নিয়ে "[ হেকার]   তায়েফ কান,  এর সাথে কথা বলেছিলেন উনারই এক রিপোর্টার ফ্যান।  যেভাবে শুরু তিনি জানান, ক্লাস এইটে পড়ার সময় তার প্রথম পরিচয় হয় হ্যাকিং এর জগতের সাথে। তিনি জানান, একদিন বিকেলে গাছ তলায় বসে একা মনে গল্প করতে, করতে তিনি নিজের মধ্যে আবিষ্কার করেন [হেকিন] হ্যাকিং।   পরে ফেসবুক জগতের মাধ্যমেই অন্যান্য হ্যাকারদের সাথে ধীরে ধীরে তার পরিচয় ঘটতে শুরু করে। তিনি জানান-  হ্যাকাররা ইন্টারনেটের যে অন্ধকার জগতে ঘোরাফেরা করেন তাকে বলা হয় ডিপ ওয়েব। সেখানেই সাইবার অপরাধীদের আনাগোনা। এবং তিনি বলেন - ১ঃ- "বাংলাদেশের যদি ১০০% মানুষ ফেসবুক ইউজ করে, এদের মধ্যে ৮০% মানুষ আমাকে ব্লক মেরে রাখে। ২ঃ - "আমি জানি পৃথিবীর এক ভাগ স্থল আর তিন ভাগ জল। এবং সেই পানির নিচে কি আছে সেটাও কেউ জানে না। ডিপ ওয়েব সেরকমই একটি জগৎ।" ৩ঃ- "গুগল, আমাজন এগুলো হচ্ছে স্থলভাগের মতো। আর ডিপ ওয়েব হচ্ছে পানির নিচে গভীর অন্ধকার জগতের মতো।" অন্ধকার জগৎ "ডিপ ওয়েব" সম্পর্কে ধারণা দেন এই হেকার তায়েফ কান।  তিনি জানান, বিভি...

এক অনুপ্রেরণার গল্প।

Image
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো- বিশ্বজুড়ে  ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ভালবাসার এক নাম। তাঁর পুরো নাম Cristiano Ronaldo dos Santos Aveiro। কীভাবে পর্তুগালের মাদেইরার সেই ছোট্ট শিশুটি আজকের বিশ্বখ্যাত ফুটবলার হলেন- সে গল্পটি কি সবার জানা আছে? চলো, জেনে নেওয়া যাক রোনালদোর ছেলেবেলার গল্প। রোনালদোর জন্ম ১৯৮৫ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি, পর্তুগালের পশ্চিমে অবস্থিত মাদেইরা নামের ছোট্ট একটি দ্বীপে। শৈশব থেকেই তাঁর দারিদ্র্যের মাঝে বেড়ে ওঠা। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট রোনালদো এক রুমে সবার সাথে গাদাগাদি করে থাকতেন। তার মা ছিলেন একজন রাঁধুনী, আর বাবা ছিলেন বাগানের মালী। স্কুলে রোনালদোকে তার সহপাঠীরা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতো কারণ তার বাবা স্কুলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবেও মাঝেমধ্যে কাজ করতেন। দারিদ্র্য-অপমানের দুঃখ ভুলতে শিশু রোনালদো বেছে নেন ফুটবলকে। হাতের কাছে একবার ফুটবল পেলে আর কিছু লাগতো না তাঁর, সব কষ্ট ভুলে যেতেন! এতোটাই খেলার পাগল ছিলেন, যে ঘুমানোর সময়ও ফুটবল জড়িয়ে ধরে ঘুমাতেন! পড়ালেখায় একদমই মন ছিল না তাঁর। মা পড়াশোনার কথা বললেই রোনালদোর ঝটপট উত্তর হতো, ‘আজকে স্কুলে কোন হোমওয়ার্ক দেয় নি তো!’ তাও জোর ...

একজন জামাল ভূইয়া ।

Image
জামাল হ্যারিস ভূইয়া। জন্ম: ১০ এপ্রিল ১৯৯০) একজন ডেনমার্কে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশি ফুটবলার, যিনি মধ্যমাঠ হিসেবে খেলেন। স্ট্রাইকারদের বলের জোগান দিতে হবে? প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নিতে হবে? আক্রমণভাগ ও ডিফেন্সের মধ্যে সমন্বয় দরকার? পুরো মাঠ দাপিয়ে বেড়াতে হবে? দেশের তরে নিজেকে উজাড় করে দিতে হবে?  চিন্তা কী, জামাল ভুঁইয়া আছেন না! বাংলাদেশের ফুটবলে যেন এক টুকরো স্বস্তির পরশ হয়ে এসেছেন জামাল। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট দিয়ে নিজেকে আলাদা করে চিনিয়েছেন এই তরুণ। জিতেছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। চারদিকে শুধু ‘জামাল, জামাল’ রব। এই যে আজ চারদিকে জামাল-স্তুতি, তার পেছনের গল্পটা নিশ্চিতভাবেই যেকোনো পরিচালকের জন্য লুফে নেওয়ার মতো দুর্দান্ত এক চিত্রনাট্য! এর প্রতিটি পরতে পরতে হয়তো শিহরণ আর রোমাঞ্চের প্রতিধ্বনি নেই, কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপে যে বাধা পেরোনোর গল্প রয়েছে—সেটিও নিশ্চিতভাবেই তা দর্শকদের পাতে দেওয়ার জন্য দুর্দান্তই। তো পাঠক, চলুন, চোখ বোলানো যাক জামাল ভুঁইয়ার জীবনের গল্পে। বাবা-মা ষাটের দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশ থেকে গিয়ে বসত গড়েন ডেনমার্কের কোপেন...